চলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াৎকে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার কিংবা সংস্কৃত বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালো কোনো একটি পদে দেখতে চান তার অনুরাগিরা। এই বিষয় নিয়ে গত কয়েক দিন থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুরাগিরা বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে আসছেন। যদিও এ ব্যাপারে অনুপম হায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে অনেকেই তাকে ভালো একটি পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে দেখতে চান।
অনুপম হায়াৎ শুধু একজন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বই নয়, পূর্ণাঙ্গ একটা ফিল্ম ইন্সটিটিউট ও আর্কাইভ। নিরহংকারী, নির্লোভ, নিবৃতচারী ও নিরপেক্ষ এই ব্যাক্তি একাধারে একজন চলচ্চিত্র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক, শিক্ষক এবং সমালোচক। তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কমিটি, চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সরবোর্ড ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের গবেষণা কমিটির সদস্য তথা বিজ্ঞ বিচারক ছিলেন।
বিএফডিসি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস, চলচ্চিত্র শিক্ষার প্রথম পাঠ্যপুস্তক চলচ্চিত্রবিদ্যাসহ চলচ্চিত্রবিষয়ক অসংখ্য গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অধ্যয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পদ্ধতিগতভাবে চলচ্চিত্র শিক্ষার প্রচলন প্রথম তিনিই উদ্ভাবন করেন। পাশাপাশি নজরুল ও রবীন্দ্রনাথ নিয়েও তার কয়েকটি গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে।
বর্তমান অন্তবর্তী সরকার ইচ্ছা করলেই অনুপম হায়াতের মতো এমন গুণি, সৎ, সদালাপি ও প্রতিভাধর ব্যাক্তিকে তথ্য ও সম্প্রচার কিংবা সংস্কৃতবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যে কোনো দপ্তরে তার যোগ্য কোনো আসনে বসিয়ে তাকে সম্মান দেখাতে পারেন। বিপরীতে তিনিও তার যোগ্য আসনে আসীন হয়ে অন্তবর্তী সরকারের দেয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে তাদের মুখ উজ্জ্বল করবে- এটা অনেকেই বিশ্বাস করেন।
উক/০৯/২৪