শিবিরের ‘মাফিয়াতন্ত্রের দিনলিপি’আলোকচিত্র প্রদর্শনী

সুহৃদ জাহাঙ্গীর

0

২৮ অক্টোবর, সোমবার। আওয়ামী বর্বরতার ১৮ বছর। এ উপলক্ষ্যে ‘মাফিয়াতন্ত্রের দিনলিপি’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। জাতীয় প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম অপু, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাদিক কায়েম ও সেক্রেটারি এসএম ফরহাদ, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদী, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি অর্পিতা গোলদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূইয়া, ইসলামি ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সানাউল্লাহ প্রমুখ।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর চারদলীয় জোটের নেতাকর্মীদের উপর লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে রাজপথে বর্বর হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। নারকীয় সেই হামলায় দেশজুড়ে জামায়াত-বিএনপির ৫৪ জন সদস্য শাহাদাতবরণ করেন এবং আহত হন ৫ সহস্রাধিক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনতা। ২৮ অক্টোবরের নৃশংসতাকে উপজীব্য করে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি গণহত্যা, ৫ মে শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডসহ আরো অসংখ্য হত্যা ও গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই প্রদর্শনীতে।

‘মাফিয়াতন্ত্রের দিনলিপি’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে ঢাবি ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা হামলা, পিলখানার বিডিআর বিদ্রোহ, শাপলা চত্বরের ঘটনা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের ফাঁসি, প্রহসনের নির্বাচন ও ছাত্র আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমরা এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। আমরা চাই মানুষ এগুলো দেখুক, এগুলো জানুক।’

সভাপতির বক্তৃতায় ঢাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম বলেন, ‘লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যার মতো পৈশাচিক ঘটনা ছিল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের যাত্রার প্রথম ধাপ। পরবর্তীতেও তারা ন্যাক্কারজনক অসংখ্য হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা স্থায়ী করতে চেয়েছে। কিন্তু তারা ছাত্র-জনতার দৃঢ়তার ফলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’

সুজা/১০/২৪

Leave A Reply

Your email address will not be published.